আসছে গ্রীষ্ম, ফলের সমাহার! গরমকাল মানেই একরাশ শান্তির নিশ্বাস। কেন বলুন তো? কারণ একটাই – গ্রীষ্মকালীন ফল! এই সময় বাজারে থরে থরে সাজানো থাকে রসালো সব ফল। আম, লিচু, কাঁঠাল, তরমুজ – নাম শুনলেই জিভে জল এসে যায়, তাই না?
শুধু স্বাদ নয়, এই ফলগুলো ভিটামিন আর পুষ্টিগুণে ভরপুর। শরীরকে ঠান্ডা রাখতে আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এদের জুড়ি মেলা ভার। তাই, গ্রীষ্মের ফল নিয়ে আজ আমরা জমিয়ে আড্ডা দেব, কেমন হয়?
15 গ্রীষ্মকালীন ফলের তালিকা ও পুষ্টিগুণ
গ্রীষ্মের ফল মানেই যেন রঙের মেলা। লাল, হলুদ, সবুজ – কী নেই! আর স্বাদের কথা কী বলব? মিষ্টি, টক, হালকা তেতো – সব মিলিয়ে যেন এক উৎসব। চলুন, জনপ্রিয় কিছু গ্রীষ্মকালীন ফল এবং তাদের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক:
1. আম (Mango): ফলের রাজা

আমকে ফলের রাজা বলা হয়, এটা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন? কারণ এর স্বাদ, গন্ধ আর পুষ্টিগুণ। কাঁচা আমে ভিটামিন সি ভরপুর, যা রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। আর পাকা আম? পাকা আম ভিটামিন এ, ভিটামিন বি, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ঠাসা। ত্বক আর চোখের জন্য দারুণ উপকারী।
আমের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন এ | 765 IU | চোখের জন্য ভালো, ত্বক সুস্থ রাখে |
ভিটামিন সি | 36.4 mg | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
পটাশিয়াম | 156 mg | রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে |
ফাইবার | 1.6 g | হজমক্ষমতা বাড়ায় |
বিভিন্ন ধরনের আমের মধ্যে গোপালভোগ, ল্যাংড়া, হিমসাগর, আম্রপালি উল্লেখযোগ্য। প্রতিটি আমের নিজস্ব স্বাদ এবং বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
2. কাঁঠাল (Jackfruit): জাতীয় ফলের সমাহার

কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। শুধু ফল নয়, এটা যেন একটা পুরো খাবারের প্যাকেট। কাঁচা কাঁঠাল সবজি হিসেবে খাওয়া যায়, আর পাকা কাঁঠাল তো দারুণ মিষ্টি। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, এবং পটাশিয়াম।
কাঁঠালের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ফাইবার | 1.5 g | কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে |
ভিটামিন বি৬ | 0.3 mg | স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের জন্য ভালো |
ভিটামিন সি | 13.8 mg | ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী |
পটাশিয়াম | 303 mg | হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় |
কাঁঠাল শুধু পুষ্টিকর নয়, এটি পরিবেশবান্ধবও। এর গাছ সহজেই বেড়ে ওঠে এবং মাটির ক্ষয়রোধ করে।
3. লিচু (Litchi): রসালো স্বর্গের ফল

লিচু গরমকালের আরেকটা দারুণ ফল। ছোট এই ফলটি রসালো আর মিষ্টি স্বাদের জন্য খুব জনপ্রিয়। লিচুতে আছে ভিটামিন সি, কপার, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
লিচুর পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | 71.5 mg | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
কপার | 0.1 mg | রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে |
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট | প্রচুর পরিমাণে | কোষের সুরক্ষা করে |
তবে, খালি পেটে বেশি লিচু খাওয়া উচিত না। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে।
4. তরমুজ (Watermelon): জলের ভাণ্ডার
গরমকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের জুড়ি নেই। প্রায় ৯২% জলীয় অংশ থাকার কারণে এটা শরীরকে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচায়। এছাড়াও, তরমুজে আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, এবং লাইকোপিন।
তরমুজের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন এ | 569 IU | চোখের জন্য ভালো |
ভিটামিন সি | 8.1 mg | ত্বক উজ্জ্বল করে |
লাইকোপিন | 4.5 mg | হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় |
তরমুজ শুধু শরীর ঠান্ডা রাখে না, ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকেও রক্ষা করে।
5. বেল (Wood Apple): ঔষধি ফল
বেল একটি দারুণ উপকারী ফল। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ক্যালসিয়াম ও ফাইবার। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেলের শরবত খুবই জনপ্রিয়।
বেলের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | 9 mg | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
ভিটামিন এ | 55 mcg | চোখের জন্য ভালো |
ক্যালসিয়াম | 85 mg | হাড় মজবুত করে |
ফাইবার | 2.9 g | হজমক্ষমতা বাড়ায় |
বেলের শরবত শুধু কোষ্ঠকাঠিন্য নয়, পেটের অন্যান্য সমস্যাতেও খুব উপকারী।
6. কালোজাম / জাম (Black Plum / Java Plum): ডায়াবেটিস-বান্ধব
কালোজাম বা জাম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব ভালো। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়াও, জামে আছে ভিটামিন সি, আয়রন, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
জামের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | 18 mg | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
আয়রন | 0.2 mg | রক্তশূন্যতা কমায় |
পটাশিয়াম | 79 mg | রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে |
জামের বীজও খুব উপকারী। জামের বীজ শুকিয়ে গুঁড়ো করে খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
7. আনারস (Pineapple): হজমের সহায়ক
আনারস হজমের জন্য খুবই উপকারী। এতে আছে ব্রোমেলিন নামক একটি এনজাইম, যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আনারসে আছে ভিটামিন সি ও ম্যাঙ্গানিজ।
আনারসের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | 47.8 mg | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
ম্যাঙ্গানিজ | 0.9 mg | হাড় মজবুত করে |
ব্রোমেলিন | প্রচুর পরিমাণে | হজমে সাহায্য করে |
আনারস শুধু হজমের জন্য নয়, ত্বককে উজ্জ্বল করতেও সাহায্য করে।
8. কামরাঙ্গা (Starfruit): তারার মতো ফল
কামরাঙ্গা দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনি এর গুণাগুণও অনেক। এটি ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। তবে, যাদের কিডনির সমস্যা আছে, তাদের কামরাঙ্গা কম খাওয়াই ভালো।
কামরাঙ্গার পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | 34.4 mg | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট | প্রচুর পরিমাণে | কোষের সুরক্ষা করে |
কামরাঙ্গা দিয়ে জ্যাম, জেলি ও আচার তৈরি করা যায়।
9. পেঁপে (Papaya): পেটের বন্ধু
পেঁপে পেটের জন্য খুবই উপকারী। এতে আছে প্যাপেইন নামক এনজাইম, যা হজমক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও, পেঁপেতে আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও ফাইবার।
পেঁপের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন এ | 1094 IU | চোখের জন্য ভালো |
ভিটামিন সি | 61.8 mg | ত্বক উজ্জ্বল করে |
ফাইবার | 1.7 g | কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে |
কাঁচা পেঁপে সবজি হিসেবে খাওয়া যায়, আর পাকা পেঁপে ফল হিসেবে খুবই জনপ্রিয়।
10. লটকন (Burmese Grape): ভিটামিনের উৎস
লটকন একটি দেশীয় ফল। এটি ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে ভরপুর। লটকনে আছে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, এবং আয়রন।
লটকনের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | 46 mg | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
ভিটামিন বি | বিভিন্ন ধরনের | স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের জন্য ভালো |
আয়রন | 0.3 mg | রক্তশূন্যতা কমায় |
লটকন শুধু পুষ্টিকর নয়, খেতেও খুব সুস্বাদু।
11. ফলসা (Grewia Fruit): ছোট ফলের জাদু
ফলসা ছোট আকারের একটি মিষ্টি ফল। এটি শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং হজমক্ষমতা বাড়ায়।
ফলসার পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (আনুমানিক) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | মাঝারি পরিমাণে | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট | মাঝারি পরিমাণে | কোষের সুরক্ষা করে |
ফলসা সাধারণত শরবত হিসেবে খাওয়া হয়।
12. ডেউয়া (Monkey Jack): টক-মিষ্টি স্বাদ
ডেউয়া একটি টক-মিষ্টি স্বাদের ফল। এতে আছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ডেউয়া সাধারণত আচার বা চাটনি হিসেবে খাওয়া হয়।
ডেউয়ার পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (আনুমানিক) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | মাঝারি পরিমাণে | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট | মাঝারি পরিমাণে | কোষের সুরক্ষা করে |
ডেউয়া শুধু মুখরোচক নয়, স্বাস্থ্যকরও।
13. চিকু / সাপোটা (Sapodilla): মিষ্টি স্বাদের ফল
চিকু বা সাপোটা একটি মিষ্টি স্বাদের ফল। এতে আছে ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি। এটি ত্বক ও চোখের জন্য ভালো।
চিকুর পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন এ | 60 IU | চোখের জন্য ভালো |
ভিটামিন সি | 14.7 mg | ত্বক উজ্জ্বল করে |
চিকু সাধারণত সরাসরি খাওয়া হয়, তবে এটি দিয়ে মিল্কশেকও তৈরি করা যায়।
14. তাল (Palmyra Palm): গরমের ফল
তাল গরমকালের একটি জনপ্রিয় ফল। তালের শাঁস শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও, তালে আছে ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম।
তালের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (আনুমানিক) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন বি | বিভিন্ন ধরনের | স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের জন্য ভালো |
পটাশিয়াম | মাঝারি পরিমাণে | রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে |
তালের পিঠা ও তালের বড়া খুবই জনপ্রিয় খাবার।
15. ড্রাগন ফল (Dragon Fruit): আধুনিক ফল
ড্রাগন ফল একটি আধুনিক ফল। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি-তে ভরপুর। ড্রাগন ফল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ তালিকা:
পুষ্টি উপাদান | পরিমাণ (প্রতি ১০০ গ্রাম) | উপকারিতা |
---|---|---|
ভিটামিন সি | 20.5 mg | রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় |
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট | প্রচুর পরিমাণে | কোষের সুরক্ষা করে |
ড্রাগন ফল সাধারণত সালাদ বা স্মুদি হিসেবে খাওয়া হয়।
গ্রীষ্মকালীন ফল নিয়ে কিছু সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)
গ্রীষ্মকালীন ফল নিয়ে আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন জাগে। কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর জেনে নেওয়া যাক:
কোন ফলে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন সি থাকে?
লিচু ও কামরাঙ্গাতে প্রচুর ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এছাড়াও, আমলকিতেও ভিটামিন সি এর পরিমাণ অনেক বেশি।
ডায়াবেটিস রোগীরা কোন ফল খেতে পারবে?
ডায়াবেটিস রোগীরা জাম, পেঁপে ও অল্প পরিমাণে আম খেতে পারেন। তবে, মিষ্টি ফলগুলো পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
কোন ফল শরীরকে ঠান্ডা রাখে?
তরমুজ, তালের শাঁস ও বেলের শরবত শরীরকে ঠান্ডা রাখতে খুবই উপযোগী।
ফল খাওয়ার সঠিক সময় কখন?
সকালের নাস্তার পর অথবা দুপুরে ফল খাওয়া ভালো। রাতে ফল হজম হতে সমস্যা হতে পারে।
ফল কি ওজন কমাতে সাহায্য করে?
কিছু ফল, যেমন পেঁপে ও তরমুজ, ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এগুলোতে ক্যালোরি কম এবং ফাইবার বেশি থাকে।
গ্রীষ্মকালীন ফল সংরক্ষণের উপায়
অনেক সময় ফল বেশি কিনে ফেললে তা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে। কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করে ফল সংরক্ষণ করা যেতে পারে:
- আম: পাকা আম ফ্রিজে রেখে কয়েকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। আমের পাল্প তৈরি করে ডিপ ফ্রিজে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে।
- কাঁঠাল: কাঁঠালের কোষগুলো আলাদা করে এয়ারটাইট পাত্রে ভরে ফ্রিজে রাখলে কয়েকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে।
- লিচু: লিচু ফ্রিজে রাখলে এর স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই, লিচু অল্প পরিমাণে কিনে দ্রুত খেয়ে ফেলাই ভালো।
- তরমুজ: কাটা তরমুজ ফ্রিজে রেখে ২-৩ দিনের মধ্যে খেয়ে ফেলা উচিত।
- পেঁপে: পাকা পেঁপে ফ্রিজে রেখে কয়েকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।
শেষ কথা
গ্রীষ্মকালীন ফল শুধু আমাদের রসনাতৃপ্তি করে না, শরীরকেও সুস্থ রাখে। তাই, এই সময়ে বেশি করে ফল খান এবং সুস্থ থাকুন। আর কোনো ফল আপনার সবচেয়ে প্রিয়, তা জানাতে ভুলবেন না!