শিশুর প্রথম বছরে খাদ্য তালিকা: ১-১২ মাসে শিশুর সেরা খাবার

শিশুর প্রথম ১২ মাসের খাদ্যাভ্যাস নির্ধারণ করা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে শিশুর হজম ক্ষমতা, শারীরিক বৃদ্ধি, এবং মানসিক বিকাশের ভিত্তি গড়ে ওঠে। শিশুকে সঠিক পুষ্টি প্রদান করলে তার প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। 

নিচে প্রতিটি মাস অনুযায়ী খাবার তালিকা দেওয়া হলো এবং কেন এই খাবারগুলো গুরুত্বপূর্ণ তা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

শিশুর খাবার
ছবি: একজন শিশু পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছে

শিশুদের খাবার নির্বাচন এবং পরামর্শ

  • বৈচিত্র্য: ৬-১২ মাসের মধ্যে শিশুর খাদ্যে বৈচিত্র্য আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সে বিভিন্ন ধরনের স্বাদ এবং টেক্সচার অনুভব করতে পারে।
  • পুষ্টিকর খাবার: প্রতিটি খাবারে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন, এবং মিনারেলের সঠিক সংমিশ্রণ থাকা জরুরি।
  • ধীরে ধীরে নতুন খাবার যুক্ত করা: একসঙ্গে অনেক ধরনের খাবার দেওয়ার পরিবর্তে ধীরে ধীরে নতুন খাবার পরিচয় করান এবং শিশুর প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করুন।
  • পানি: ৬ মাস বয়স থেকে শিশুকে স্বল্প পরিমাণে পানি খাওয়ানো শুরু করতে পারেন, যা তার হজম শক্তি বাড়াতে সহায়ক।

১ মাসের শিশুর খাবার তালিকা

১ মাস বয়সের শিশুর একমাত্র খাবার হওয়া উচিত মায়ের বুকের দুধ। এই সময়ে শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিত, কারণ তার হজম ব্যবস্থা খুবই সংবেদনশীল থাকে।

  • বুকের দুধ: শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার। এতে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, এবং অ্যান্টিবডি থাকে যা শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  • গুরুত্ব: মায়ের দুধ হজমে সহজ এবং এতে প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান থাকে। এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করে এবং তার মানসিক বিকাশের জন্য উপকারী।

২ মাসের শিশুর খাবার তালিকা

২ মাস বয়সেও মায়ের দুধ, তবে যদি না থাকে তাহলে ফর্মুলা শিশুর প্রধান খাদ্য হওয়া উচিত।

  • বুকের দুধ বা ফর্মুলা: নিয়মিত দুধ খাওয়ানো।
  • গুরুত্ব: এই সময়ে দুধের বাইরে অন্য কোনো খাবার প্রয়োজন হয় না। বুকের দুধে থাকা অ্যান্টিবডি শিশুর শরীরকে বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।

৩ মাসের শিশুর খাবার তালিকা

এই মাসেও শিশুকে বুকের দুধ বা ফর্মুলা (মায়ের দুধ না পেলে) খাওয়ানো অব্যাহত রাখুন।

  • ফর্মুলা বা বুকের দুধ: প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ খাওয়াতে হবে।
  • গুরুত্ব: শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দুধ যথেষ্ট।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আমরা শুধু ভালো এবং পুষ্টিকর খাবারগুলো সম্পর্কে বলেছি। এছাড়া আপনি অন্যান্য খাবার- খাওয়াতে পারেন। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন

৪ মাসের শিশুর খাবার তালিকা

৪ মাস বয়স থেকে শিশুর খাবারে কিছুটা বৈচিত্র্য আনা যেতে পারে, কিন্তু খুব সাবধানতার সঙ্গে। এই সময়ে শক্ত খাবার দেওয়া শুরু করার আগে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • বুকের দুধ বা ফর্মুলা: নিয়মিত চালিয়ে যান।
  • চালের গুঁড়ো বা সেরেলাক: এটি মিশ্রিত করে পাতলা করে খাওয়ানো যায়।
  • গুরুত্ব: নতুন খাবারের সঙ্গে শিশুকে পরিচয় করানোর জন্য হালকা, সহজপাচ্য খাবার খাওয়ানো উচিত।

৫ মাসের শিশুর খাবার তালিকা

৫ মাসে শিশুর খাদ্য তালিকায় কিছু সলিড খাবার যোগ করা যেতে পারে।

  • বুকের দুধ বা ফর্মুলা: নিয়মিত দুধ খাওয়ানো।
  • পাতলা ফলের রস: আপেল, নাশপাতির রস দিতে পারেন।
  • ম্যাশ করা আলু: খুব মসৃণভাবে তৈরি করতে হবে যাতে শিশু সহজে হজম করতে পারে।
  • গুরুত্ব: শিশুর হজম ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য নতুন খাবার যোগ করা দরকার, তবে খুবই নরম অবস্থায়।

৬ মাসের শিশুর খাবার তালিকা

৬ মাস বয়স থেকে শিশুর সলিড খাবারের যাত্রা শুরু হয়। এ সময়ে বুকের দুধের পাশাপাশি নতুন খাবার যুক্ত করা হয়।

  1. বুকের দুধ বা ফর্মুলা: শিশুর প্রধান খাবার।
  2. ফল পিউরি: আপেল, পেঁপে, কলা পিউরি। এই ফলগুলোতে ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ, যা শিশুর দৃষ্টিশক্তি ও ত্বকের উন্নতি করে।
  3. সবজি পিউরি: গাজর, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু। এগুলো ভিটামিন এ ও ফাইবার সমৃদ্ধ।
  4. সেরেলাক বা চালের গুঁড়ো: সহজে হজমযোগ্য খাবার।
  5. ম্যাশ করা আলু, কুমড়া: নরম করে পিষে খাওয়াতে পারেন।
  6. পালং শাকের পিউরি: লোহা ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ।
  7. ম্যাশ করা খিচুড়ি (ডালসহ): সহজে হজম এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ।
  8. সেদ্ধ করা ডিমের কুসুম: ডিমের কুসুম শিশুদের জন্য প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের উৎকৃষ্ট উৎস। বিশেষত্ব: মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক।
  9. ম্যাশ করা ছোলা বা মটরশুটি: প্রোটিন এবং ফাইবারের উৎকৃষ্ট উৎস। ছোলা বা মটরশুটিতে হজমে সহজ এবং দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা মেটাতে সাহায্য করে।
  10. ঘরে তৈরি চালের গুঁড়ো বা সেরেলাক: এতে শিশুর পুষ্টি মেটানোর পাশাপাশি খাবারের স্বাদেও বৈচিত্র্য আনা যায়। এ খাবারগুলো প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ।

৭ মাসের শিশুর খাবার তালিকা 

৭ মাস বয়সে শিশুর খাবারের তালিকায় আরও ভিন্নতা আনা যায়।

  1. বুকের দুধ বা ফর্মুলা: শিশুর প্রধান খাবার।
  2. ম্যাশ করা ফল: কলা, আম, পেয়ারা। এই ফলগুলো ভিটামিন সি, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, যা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
  3. ডাল-ভাত: ডাল এবং ভাত একসঙ্গে ম্যাশ করে খাওয়াতে পারেন।
  4. মিষ্টি আলু পিউরি: সহজে হজম হয় এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ।
  5. সবজি খিচুড়ি: ছোট ছোট শাকসবজি দিয়ে খিচুড়ি তৈরি করে খাওয়ানো যেতে পারে।
  6. ডিমের সাদা অংশ: ডিমের সাদা অংশও নরম করে খাওয়াতে পারেন।
  7. ঘরে তৈরি ওটমিল: ওটমিলকে মিষ্টি করে ফল মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। এগুলো ফাইবার ও প্রোটিনের ভালো উৎস।
  8. ম্যাশ করা মাংস (চিকেন/গরু): খুব নরম করে এবং ছোট ছোট টুকরো করে।
  9. সেদ্ধ করা মাছের পিউরি: ছোট মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে নরম করে খাওয়ান।
  10. কলা-আটার পুডিং: কলা ও গমের আটা মিশিয়ে হালকা করে পুডিং তৈরি করতে পারেন। কলা বা আটার পুডিং শিশুদের প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের ভালো উৎস।

৮ মাসের শিশুর খাবার তালিকা 

৮ মাস বয়সে শিশুর খাবারের তালিকা আরও সমৃদ্ধ করা যায় এবং আরও নরম করে বিভিন্ন সলিড খাবার খাওয়ানো যেতে পারে।

  1. বুকের দুধ বা ফর্মুলা: চালিয়ে যান।
  2. ফল এবং শাকসবজি: কলা, আপেল, গাজর, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি।
  3. সেদ্ধ সবজি এবং চালের মিশ্রণ: সেদ্ধ করা সবজি দিয়ে ভাত ম্যাশ করে খাওয়াতে পারেন।
  4. নরম পরোটা বা রুটি: ছোট ছোট টুকরো করে দিয়ে খাওয়াতে পারেন। পরোটা বা রুটি ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ।
  5. চিকেন স্যুপ: চিকেন স্যুপের মাধ্যমে শিশুকে প্রোটিনের ভালো উৎস সরবরাহ করতে পারেন।
  6. সেদ্ধ ডিমের পিউরি: ডিমের পিউরি তৈরি করে খাওয়ান।
  7. ম্যাশ করা লাউ বা কুমড়া: লাউ বা কুমড়া সেদ্ধ করে খাওয়াতে পারেন।
  8. চালের পুডিং: নরম পুডিং তৈরি করে দিতে পারেন।
  9. ম্যাশ করা রুই মাছ: রুই মাছ সেদ্ধ করে কাঁটা ছাড়িয়ে দিতে পারেন।
  10. মসুর ডাল: প্রোটিন এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ। মসুর ডাল শিশুর হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং লোহা ও প্রোটিন সরবরাহ করে।

৯ মাসের শিশুর খাবার তালিকা 

৯ মাস বয়সের শিশুর হজম ক্ষমতা আরও উন্নত হয়, ফলে তার খাবারে বৈচিত্র্য আনা সম্ভব।

  1. বুকের দুধ বা ফর্মুলা: চালিয়ে যান।
  2. ফল ও সবজি পিউরি: আপেল, পেঁপে, কলা, ব্রকলি ইত্যাদি।
  3. মাংসের পিউরি: ছোট ছোট টুকরো করে মাংস সেদ্ধ করে পিউরি তৈরি করুন।
  4. চিকেন বা ফিশ স্যুপ: চিকেন বা মাছের স্যুপ শিশুদের প্রোটিন এবং ওমেগা-৩ সরবরাহ করে।
  5. ব্রেড স্টিকস বা নরম পাউরুটি: খুব ছোট ছোট টুকরো করে খাওয়াতে পারেন।
  6. সবজি দিয়ে খিচুড়ি: ভিটামিন, ফাইবার, এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার।
  7. ফল দিয়ে তৈরি পুডিং: কলা বা আপেলের মিশ্রণে পুডিং তৈরি করা যায়।
  8. নরম পরোটা/রুটি: খুব নরম এবং ছোট টুকরো করে দেওয়া যায়।
  9. ডাল-ভাত মিশ্রিত: প্রোটিন এবং কার্বোহাইড্রেটের উৎকৃষ্ট উৎস।
  10. ফলের মিশ্রণ (চিকু, আঙ্গুর): খুব নরম করে ম্যাশ করা।

১০ মাসের শিশুর খাবার তালিকা 

এ সময়ে শিশুর খাবারের পরিমাণ এবং বৈচিত্র্য আরও বাড়ানো উচিত।

  1. বুকের দুধ বা ফর্মুলা: চালিয়ে যান।
  2. মাংসের পিউরি: সেদ্ধ করা মাংসের ছোট ছোট টুকরো।
  3. ফলের পিউরি: পেয়ারা, আঙুর, এবং কলা।
  4. দই: ফ্লেভারযুক্ত বা প্লেইন দই। দই ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ, যা হাড়ের গঠনে সহায়ক।
  5. সবজি খিচুড়ি: সবজি এবং ডালের মিশ্রণ।
  6. চিকেন স্যুপ: প্রোটিনের উৎকৃষ্ট উৎস।
  7. পালং শাকের পিউরি: আয়রন এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ।
  8. কুটো ভাত: খুব নরম করে খাওয়াতে পারেন।
  9. ম্যাশ করা মাছের পিউরি: কাঁটা ছাড়িয়ে পিউরি তৈরি করে।
  10. কুকিজ: নরমভাবে তৈরি করা।

১১ মাসের শিশুর খাবার তালিকা

১১ মাস বয়সের শিশুর খাবারে বৈচিত্র্য বাড়াতে হবে, যাতে সে নতুন স্বাদে অভ্যস্ত হয় এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়। হালকা শক্ত খাবার খাওয়ানোর দিকে এগিয়ে যাওয়া জরুরি।

  1. বুকের দুধ বা ফর্মুলা: শিশুর প্রধান খাবারের অংশ হিসেবে চলমান রাখুন।
  2. ফলের মিশ্রণ: আপেল, কলা, নাশপাতি, আঙুর। ফলের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক চিনি ও ভিটামিন সি শিশুর শক্তি যোগায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
  3. পালং শাক ও অন্যান্য সবজির পিউরি: পালং শাক, বেগুন, গাজর ইত্যাদি। পালং শাক আয়রন ও ভিটামিন এ সমৃদ্ধ যা শিশুর হাড় এবং চোখের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  4. নরম রুটি বা পরোটা: ছোট টুকরো করে শিশুকে খাওয়াতে পারেন।
  5. ডাল ও সবজি মিশ্রিত খিচুড়ি: শিশুর জন্য সহজে হজমযোগ্য এবং পুষ্টিকর। খিচুড়ি প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবারের ভাল উৎস।
  6. মাংসের স্যুপ: চিকেন বা গরুর মাংসের স্যুপ শিশুর প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে।
  7. দই বা পনির: ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। দই বা পনির শিশুদের হাড় এবং দাঁতের গঠনে সহায়ক।
  8. মাছের পিউরি: ছোট মাছের কাঁটা ছাড়িয়ে খুব নরম অবস্থায় খাওয়ান। মাছের মধ্যে থাকা ওমেগা-৩ শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক।
  9. ফল ও শাকসবজি সহ রাইস পুডিং: রাইস পুডিংয়ের সঙ্গে বিভিন্ন ফল বা শাকসবজি মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।
  10. ম্যাশ করা আলু ও সবজি: সেদ্ধ করা আলু, কুমড়া বা মিষ্টি আলুর মিশ্রণ।

১২ মাসের শিশুর খাবার তালিকা 

১২ মাসের শিশুকে প্রায় সব ধরনের খাবার খাওয়ানো যায়। এই সময়ে শিশু একেবারে পরিবারের খাবারের দিকে অগ্রসর হয়।

  1. বুকের দুধ বা ফর্মুলা: শিশুর চাহিদা অনুযায়ী।
  2. ফল, শাকসবজি: আপেল, পেঁপে, কলা, গাজর, ব্রকলি ইত্যাদি। এগুলো ভিটামিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ যা শিশুর হজম প্রক্রিয়া সহজ করে।
  3. নরম রুটি বা ভাত: ছোট ছোট টুকরো করে। কার্বোহাইড্রেট শিশুদের শক্তি সরবরাহ করে।
  4. চিকেন ও মাছের টুকরো: খুব নরম করে সেদ্ধ করা। প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস।
  5. ডাল, শাকসবজি সহ খিচুড়ি: প্রোটিন, আয়রন এবং ভিটামিন এ সমৃদ্ধ।
  6. সবজি বা মাংসের স্যুপ: প্রোটিন ও মিনারেল সরবরাহে সহায়ক।
  7. ঘরে তৈরি পাস্তা: নরম করে ছোট টুকরো করে।
  8. সেদ্ধ ডিম: পুরো ডিম নরম করে সেদ্ধ। ডিম প্রোটিন ও আয়রন সমৃদ্ধ।
  9. পনির: ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ। পনির হাড় এবং দাঁতের গঠনে সহায়ক।
  10. দই: প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ যা শিশুর হজমে সহায়ক।

উপসংহারে, ৬-১২ মাসের শিশুদের জন্য খাবার নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং তাদের শরীরের বৃদ্ধির জন্য সঠিক পুষ্টি সরবরাহ করা আবশ্যক।

Scroll to Top